নিউজ ডেস্ক: ফ্রান্সে পরিবার পুনর্মিলন বা ফ্যামিলি রিইউনিফিকেশন ভিসায় আসা মানুষের সংখ্যা গত ৫০ বছরে উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। বর্তমানে দেশটিতে পারিবারিক কারণে দেওয়া মোট রেসিডেন্স পারমিটের মাত্র ৫ শতাংশ এই প্রক্রিয়ার আওতায় রয়েছে। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর ডেমোগ্রাফিক স্টাডিজ বা আইএনইডি এর এক সাম্প্রতিক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।
গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে প্রতি বছর গড়ে ১১ হাজার পরিবার পুনর্মিলন পারমিট ইস্যু করা হয়েছে। অথচ ৮০ এবং ৯০ এর দশকের শুরুতে এই সংখ্যা ছিল ২০ থেকে ৩২ হাজারের মতো। অর্থাৎ গত ২০ থেকে ৩০ বছরে এই হার ধারাবাহিকভাবে কমেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অভিবাসন নীতি কঠোর করা এবং আবেদনের প্রক্রিয়া দীর্ঘ হওয়া এই হ্রাসের অন্যতম কারণ। বর্তমানে একটি আবেদনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পেতে গড়ে ১০ মাস সময় লাগছে। এমনকি প্যারিসের মতো শহরগুলোতে এই সময়সীমা ১২ মাস ছাড়িয়ে যাচ্ছে। এছাড়া আবেদনের ক্ষেত্রে আয়ের শর্ত এবং আবাসনের পর্যাপ্ত জায়গার বিষয়গুলো এখন আরও কঠোরভাবে যাচাই করা হয়।
এছাড়া অভিবাসীদের জীবনযাত্রার পরিবর্তনও এখানে বড় ভূমিকা রাখছে। বর্তমানে অনেক অভিবাসী আগের তুলনায় তরুণ এবং বেশি শিক্ষিত। তারা ফ্রান্সে আসার পরেই বিয়ে করছেন বা পরিবার গঠন করছেন। ফলে বিদেশ থেকে আগের মতো বড় পরিবার নিয়ে আসার প্রয়োজনীয়তা কমে গেছে।
১৯৭৬ সালে ফ্রান্সে এই পারিবারিক পুনর্মিলন ব্যবস্থা চালু হয়েছিল। বর্তমানে আবেদনকারীদের মধ্যে অর্ধেকের বেশি উত্তর আফ্রিকার নাগরিক। আবেদনের একটি বড় অংশ পুরুষ হলেও এই ভিসার সুবিধাভোগীদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। সূত্র : ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর ডেমোগ্রাফিক স্টাডিজ


















