রান্নাঘরের খাবারেই মিশছে বিষাক্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক: ঝুঁকি কমাতে যা করবেন

নিউজ ডেস্ক:  আমাদের প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় অজান্তেই ঢুকে পড়ছে বিষাক্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক বা প্লাস্টিকের অতি ক্ষুদ্র কণা। রান্নার সরঞ্জাম, প্লাস্টিকের বোতল এমনকি মাছ-মাংস ও শাকসবজির মাধ্যমেও এই কণা মানুষের শরীরে প্রবেশ করছে। গবেষকরা বলছেন, রান্নার সময় প্যান বা প্লাস্টিকের চামচ থেকে ক্ষুদ্র কণা গলে সরাসরি খাবারে মিশে যেতে পারে, যা স্বাস্থ্যের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করছে।

অস্ট্রেলিয়ার এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্যাকেটজাত চালে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ প্লাস্টিক কণা থাকে। তবে আশার কথা হলো, রান্নার আগে চাল ভালো করে ধুয়ে নিলে এই মাইক্রোপ্লাস্টিক ২০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে আনা সম্ভব। একইভাবে মাছ ও মাংস রান্নার আগে ভালো করে ধুয়ে নিলে এই দূষণ কিছুটা কমানো যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বাজার থেকে কেনা প্রক্রিয়াজাত বা ‘আল্ট্রা-প্রসেসড’ খাবার এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ। ফ্যাক্টরিতে খাবার তৈরির বিভিন্ন ধাপে প্লাস্টিকের সংস্পর্শ আসায় এতে দূষণের মাত্রা অনেক বেশি থাকে। এর পরিবর্তে তাজা শাকসবজি এবং প্রাকৃতিক খাবারের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন গবেষকরা।

প্লাস্টিকের পানির বোতল মাইক্রোপ্লাস্টিকের অন্যতম প্রধান উৎস। গবেষণায় দেখা গেছে, বোতলের মুখ বারবার খোলা এবং লাগানোর ঘর্ষণে প্রতি লিটার পানিতে শত শত প্লাস্টিক কণা ছড়িয়ে পড়ে। এই ঝুঁকি এড়াতে প্লাস্টিকের বদলে কাঁচ বা স্টিলের পাত্র ব্যবহারের ওপর জোর দিচ্ছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। সূত্র : বিবিসি

লেখাটি শেয়ার করুন:

আরও সংবাদ পড়ুন

ব্লুমো নিউজ দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ খবর, বিশ্লেষণ ও তথ্যের মাধ্যমে আপনাকে বাংলাদেশ ও বিশ্বের সঙ্গে সংযুক্ত রাখে।

আমাদের নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন