নিউজ ডেস্ক: অবৈধ অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে বড় ধরনের নীতিগত পরিবর্তন আনছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। ২০২৪ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে এই নতুন সংস্কারগুলো ধাপে ধাপে কার্যকর করা হবে। এর ফলে সদস্য দেশগুলোর সীমান্ত ব্যবস্থাপনা আরও শক্তিশালী হবে এবং অনিয়মিত অভিবাসীদের দ্রুত নিজ দেশে ফেরত পাঠানো সহজ হবে।
ইউরোপীয় পার্লামেন্টে অনুমোদিত এই নতুন চুক্তির অধীনে এখন থেকে আশ্রয় আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি করা হবে। যারা আশ্রয়ের অযোগ্য, তাদের আবেদন সরাসরি প্রত্যাখ্যান করার সুযোগ রাখা হয়েছে। ক্রমবর্ধমান অভিবাসন চাপ সামাল দিতে ইইউর প্রশাসনিক ব্যবস্থায় এটি একটি বড় পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ফ্রান্স এবং জার্মানি এই নতুন নীতি বাস্তবায়নে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। ফ্রান্স বিশেষ করে ইংলিশ চ্যানেল দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে যৌথ নজরদারি বাড়িয়েছে। অন্যদিকে বার্লিন প্রশাসন বলছে, নতুন কাঠামো অভিবাসন ব্যবস্থাকে কার্যকর করলেও মানবিক দিকগুলো বিবেচনায় রাখতে হবে।
ইতালি ও স্পেন ভূমধ্যসাগর দিয়ে আসা অভিবাসীদের চাপ মোকাবিলায় সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার করেছে। তবে স্পেন সরকার মনে করে, শুধু কঠোর হয়ে এই সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয়। এজন্য আফ্রিকার দেশগুলোর সঙ্গে অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছে মাদ্রিদ।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে এই নীতি কঠোর করা হলেও এর ফলে সীমান্তে মানবিক সংকট বাড়তে পারে। আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য আইনি প্রক্রিয়া আরও জটিল হয়ে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ইউরোপ এখন দীর্ঘমেয়াদি কাঠামোগত পরিবর্তনের পথেই এগোচ্ছে। সূত্র : অনলাইন


















