সুস্থ থাকতে চাই ম্যাগনেসিয়াম

নিউজ ডেস্ক: মানবদেহের সুস্থতার জন্য ম্যাগনেসিয়াম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি খনিজ উপাদান। এটি মূলত হৃদযন্ত্র, স্নায়ু, পেশি এবং হাড়ের গঠন ঠিক রাখতে সাহায্য করে। শরীরের তিন শতাধিক রাসায়নিক বিক্রিয়ায় এই উপাদানটি সরাসরি ভূমিকা পালন করে। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং প্রোটিন তৈরিতেও কাজ করে থাকে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন একজন নারীর ৩২০ মিলিগ্রাম এবং পুরুষের ৪২০ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম প্রয়োজন হয়। সাধারণত সুষম ও স্বাস্থ্যকর খাবারের মাধ্যমেই এই চাহিদা পূরণ করা সম্ভব। তবে গর্ভাবস্থায় বা নির্দিষ্ট কিছু শারীরিক সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অতিরিক্ত ম্যাগনেসিয়াম গ্রহণ করা যেতে পারে।

গবেষণায় দেখা গেছে, ম্যাগনেসিয়াম মাইগ্রেন, উচ্চ রক্তচাপ এবং টাইপ-২ ডায়াবেটিস প্রতিরোধে বেশ কার্যকর। এছাড়া এটি অনিদ্রা দূর করতে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতেও সাহায্য করতে পারে। তবে সাপ্লিমেন্ট বা বাড়তি ওষুধ হিসেবে এটি গ্রহণের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। কারণ অতিরিক্ত ম্যাগনেসিয়াম আবার শরীরের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে।

শরীরে ম্যাগনেসিয়ামের অভাব হলে বমি ভাব, ক্লান্তি এবং খাবারে অরুচি দেখা দিতে পারে। অভাব খুব বেশি হলে হাত-পা ঝিঁঝিঁ করা, পেশিতে টান লাগা বা হৃদস্পন্দনে অস্বাভাবিকতা দেখা দেওয়ার ঝুঁকি থাকে। কিডনি রোগ বা নির্দিষ্ট কিছু ওষুধের দীর্ঘকালীন ব্যবহারের ফলে শরীরে এই খনিজের ঘাটতি দেখা দিতে পারে।

পালং শাকের মতো সবুজ শাকসবজি, শিম, বাদাম, কুমড়ার বীজ, কলা এবং ডার্ক চকলেট ম্যাগনেসিয়ামের চমৎকার উৎস। চিকিৎসকদের মতে, সাপ্লিমেন্টের চেয়ে প্রাকৃতিক খাবার থেকে ম্যাগনেসিয়াম গ্রহণ করাই সবচেয়ে নিরাপদ ও কার্যকর পদ্ধতি। সূত্র : হাবার্ড হেলথ ব্লগ

লেখাটি শেয়ার করুন:

আরও সংবাদ পড়ুন

ব্লুমো নিউজ দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ খবর, বিশ্লেষণ ও তথ্যের মাধ্যমে আপনাকে বাংলাদেশ ও বিশ্বের সঙ্গে সংযুক্ত রাখে।

আমাদের নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন